০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে ধানক্ষেতে পরে থাকা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

ঈশ্বরদী সংবাদদাতা
  • আপডেট : ০৭:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৩১ বার দেখা হয়েছে

ঈশ্বরদী পৌর এলাকায় ধানক্ষেত থেকেএক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে পৌর শহরের বেনারসিপল্লির পাশে ধানক্ষেত থেকে সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সিরাজুল ইসলাম ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ফতেমোহাম্মদপুর প্রামাণিকপাড়ার মৃত কেটি আহমেদের ছেলে। বাড়ি পাশ‌ই আধা কিলোমিটার দূরে ব্যাগ ভর্তি কাঁচা কলা ও স্যান্ডেলসহ লাশটি পাওয়া যায়।

নিহতের বোন রাশেদা বেগম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে প্রায় রাত ১০টার দিকে ঘুমাতে যান। এর পর থেকে আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। সকালে পাশের একটি ধানক্ষেতে তার লাশ পড়ে রয়েছে এমন খবর পেয়ে ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন বলেন, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি নির্দিষ্ট কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, ভবঘুরে প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। প্রায় ১২ বছর আগে তার স্ত্রী মারা যান। তার ১৫ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী একটি ছেলে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঈশ্বরদীতে ধানক্ষেতে পরে থাকা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

আপডেট : ০৭:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

ঈশ্বরদী পৌর এলাকায় ধানক্ষেত থেকেএক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে পৌর শহরের বেনারসিপল্লির পাশে ধানক্ষেত থেকে সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সিরাজুল ইসলাম ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ফতেমোহাম্মদপুর প্রামাণিকপাড়ার মৃত কেটি আহমেদের ছেলে। বাড়ি পাশ‌ই আধা কিলোমিটার দূরে ব্যাগ ভর্তি কাঁচা কলা ও স্যান্ডেলসহ লাশটি পাওয়া যায়।

নিহতের বোন রাশেদা বেগম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে প্রায় রাত ১০টার দিকে ঘুমাতে যান। এর পর থেকে আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। সকালে পাশের একটি ধানক্ষেতে তার লাশ পড়ে রয়েছে এমন খবর পেয়ে ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন বলেন, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি নির্দিষ্ট কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, ভবঘুরে প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। প্রায় ১২ বছর আগে তার স্ত্রী মারা যান। তার ১৫ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী একটি ছেলে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।