১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত

বাসস
  • আপডেট : ১২:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩৫৫ বার দেখা হয়েছে

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা ১৪ মিনিটে আবারো মৃদু ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে, ভূমিকম্পটি হালকা মাত্রার ছিল। ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে হওয়া এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল ৩৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে, আর নরসিংদী থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩০ কিলোমিটার।
এর আগে ১ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা ৫৫ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের মিনজিনে। চট্টগ্রামসহ দেশের কিছু অংশে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
তার আগে গত ২৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে ভূমিকম্প হয়।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, রিখটার স্কেলে সেটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে। ওই দিন ভোরের দিকে সিলেটে ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।
এর আগে ২১ নভেম্বর, শুক্রবার এবং পরদিন শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারবার ভূমিকম্প হয়।
এর মধ্যে ২১ নভেম্বর সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ওইদিন ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত হন। আহত হন ৫ শতাধিক মানুষ।
এখন বেশির ভাগ ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল নরসিংদী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত

আপডেট : ১২:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা ১৪ মিনিটে আবারো মৃদু ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে, ভূমিকম্পটি হালকা মাত্রার ছিল। ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে হওয়া এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল ৩৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে, আর নরসিংদী থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩০ কিলোমিটার।
এর আগে ১ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা ৫৫ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের মিনজিনে। চট্টগ্রামসহ দেশের কিছু অংশে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
তার আগে গত ২৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে ভূমিকম্প হয়।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, রিখটার স্কেলে সেটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে। ওই দিন ভোরের দিকে সিলেটে ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।
এর আগে ২১ নভেম্বর, শুক্রবার এবং পরদিন শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারবার ভূমিকম্প হয়।
এর মধ্যে ২১ নভেম্বর সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ওইদিন ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত হন। আহত হন ৫ শতাধিক মানুষ।
এখন বেশির ভাগ ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল নরসিংদী।