০৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

অন্যদেশ ডেস্ক
  • আপডেট : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / ৭৯ বার দেখা হয়েছে

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনাতে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য পাবনা জেলা শাখা।

শনিবার ২ মে বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে জেলা শহরের চাঁপা মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবনা বাজারের আব্দুল হামিদ রোড জুলাই শহীদ জাহিদ ও নিলয় চত্বর গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও পাবনা জেলা আমির ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া আসনের এমপি অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল মহোদয় বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আপনার লন্ডন থেকে দেশে আসার সুযোগ হয়েছে। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে আপনার তালবাহানা জনগন মেনে নিবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামী আপনাদের সাথে থাকলে সঙ্গী আর অন্যায় কাজের বিরোধিতা করে আপনাদের সাথে না থাকলে জঙ্গি। এসকল কথা বাংলাদেশের জনগন আর খায় না।

গণ মিছিল ও সমাবেশটি জেলা এনসিপির আহবায়ক আকতার হোসেন লেবুর সভাপতিত্বে এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল গাফফার খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

গণসমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ পাবনা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আলতাফ হোসেন, জেলা এনসিপির আহবায়ক আকতার হোসেন লেবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা অধ্যক্ষ ইকবাল হোসাইন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান সহ জাতীয় ছাত্র শক্তি ও যুব শক্তির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের রায় বাম্তবায়ন না করে শুরুতেই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে তারা।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে ১৮০ দিনের মধ্যে সকল সংস্কার প্রস্তাব, বিশেষ করে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করার কথা। সরকারি দল সেই প্রতিশ্রুতি দিলেও জনগণের মতকে উপেক্ষা করে তারা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি। এখন সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা করতেছে।

বক্তারা আরও বলেন, গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি চলছে। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

আপডেট : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনাতে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য পাবনা জেলা শাখা।

শনিবার ২ মে বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে জেলা শহরের চাঁপা মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবনা বাজারের আব্দুল হামিদ রোড জুলাই শহীদ জাহিদ ও নিলয় চত্বর গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও পাবনা জেলা আমির ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া আসনের এমপি অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল মহোদয় বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আপনার লন্ডন থেকে দেশে আসার সুযোগ হয়েছে। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে আপনার তালবাহানা জনগন মেনে নিবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামী আপনাদের সাথে থাকলে সঙ্গী আর অন্যায় কাজের বিরোধিতা করে আপনাদের সাথে না থাকলে জঙ্গি। এসকল কথা বাংলাদেশের জনগন আর খায় না।

গণ মিছিল ও সমাবেশটি জেলা এনসিপির আহবায়ক আকতার হোসেন লেবুর সভাপতিত্বে এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল গাফফার খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

গণসমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ পাবনা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আলতাফ হোসেন, জেলা এনসিপির আহবায়ক আকতার হোসেন লেবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা অধ্যক্ষ ইকবাল হোসাইন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান সহ জাতীয় ছাত্র শক্তি ও যুব শক্তির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের রায় বাম্তবায়ন না করে শুরুতেই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে তারা।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে ১৮০ দিনের মধ্যে সকল সংস্কার প্রস্তাব, বিশেষ করে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করার কথা। সরকারি দল সেই প্রতিশ্রুতি দিলেও জনগণের মতকে উপেক্ষা করে তারা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি। এখন সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা করতেছে।

বক্তারা আরও বলেন, গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি চলছে। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।