০৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে ব্যায়ামরত অবস্থায় রুশ প্রকৌশলীর মৃত্যু

অন্যদেশ ডেস্ক
  • আপডেট : ০২:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / ৯৯ বার দেখা হয়েছে

ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নতুনহাট গ্রীন সিটি আবাসিকে ব্যায়াম করার সময় চুরকিন ভ্লাদিমির নামে এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার, ১ মে) সন্ধ্যায় ব্যায়ামরত অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন চুরকিন ভ্লাদিমির।

পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।নিহত চুরকিন ভ্লাদিমির রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এটমটেক এনার্কোতে কর্মরত ছিলেন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ নিজ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঈশ্বরদীতে ব্যায়ামরত অবস্থায় রুশ প্রকৌশলীর মৃত্যু

আপডেট : ০২:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নতুনহাট গ্রীন সিটি আবাসিকে ব্যায়াম করার সময় চুরকিন ভ্লাদিমির নামে এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার, ১ মে) সন্ধ্যায় ব্যায়ামরত অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন চুরকিন ভ্লাদিমির।

পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।নিহত চুরকিন ভ্লাদিমির রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এটমটেক এনার্কোতে কর্মরত ছিলেন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ নিজ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।