০২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থের রাজনীতি: সংসদে তারেক রহমান

Reporter Name
  • আপডেট : ০২:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / ২২৫ বার দেখা হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, এবারই প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

“দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থের রাজনীতি”।

প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মধ্য দিয়ে বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় উল্লেখ করে তিনি সংসদে সব দলের সদস্যদের সহযোগিতা আশা করেন।

তিনি আরও বলেন যে বিরোধী দলের সাথে তাদের মতামত ও কর্মসূচির ভিন্নতা থাকতে পারে, “কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের মাঝে কোনো বিরোধ নেই”।

তিনি বক্তব্যে বিএনপির প্রয়াত নেত্রী ও তার মা খালেদা জিয়ার কথাও স্মরণ করেন। জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের জনসাধারণ এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর তিনি বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে রেওয়াজ অনুযায়ী সাবেক স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

কিন্তু বিগত সরকারের “জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে” বাংলাদেশে যে “জনরোষ” তৈরি হয়েছে, তারপর আর “তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি”।

সেকারণে তিনি বিএনপি নেতা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থের রাজনীতি: সংসদে তারেক রহমান

আপডেট : ০২:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, এবারই প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

“দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থের রাজনীতি”।

প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মধ্য দিয়ে বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় উল্লেখ করে তিনি সংসদে সব দলের সদস্যদের সহযোগিতা আশা করেন।

তিনি আরও বলেন যে বিরোধী দলের সাথে তাদের মতামত ও কর্মসূচির ভিন্নতা থাকতে পারে, “কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের মাঝে কোনো বিরোধ নেই”।

তিনি বক্তব্যে বিএনপির প্রয়াত নেত্রী ও তার মা খালেদা জিয়ার কথাও স্মরণ করেন। জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের জনসাধারণ এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর তিনি বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে রেওয়াজ অনুযায়ী সাবেক স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

কিন্তু বিগত সরকারের “জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে” বাংলাদেশে যে “জনরোষ” তৈরি হয়েছে, তারপর আর “তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি”।

সেকারণে তিনি বিএনপি নেতা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।