হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা জেলা বিএনপিকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে–ঈশ্বরদীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাকারিয়া পিন্টু
- আপডেট : ১০:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০৯ বার দেখা হয়েছে
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন এবং আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা জেলা বিএনপিকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছেন এবং যেখানেই পকেট কমিটি দিয়েছেন, সেখানেই তৃণমূলের রোষানলে পড়ে তাকে ঝাড়ু মিছিল ও কুশপুত্তিলিকা দাহের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে তৃণমূলের ব্যানারে ঘোষিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন জনির সঞ্চালনায় পথসভায় জাকারিয়া পিন্টু আরও বলেন, “একটি চক্র দেশের বর্তমান স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি গ্যাস, কয়লা ও তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।”
হাবিবুর রহমান হাবিবকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন। গত ১৭ বছর ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে রাতের আঁধারে পকেট কমিটি ঘোষণা করেছেন। ঈশ্বরদীর তৃণমূলের কর্মীরা আপনার এই অপচেষ্টা সফল হতে দেয়নি, বরং নিজেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আজ প্রমাণ করেছে রাজপথ কার দখলে।”
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সেন্টু, পৌর বিএনপির আহবায়ক ইসলাম হোসেন জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফুল জুয়েল প্রমুখ।
এর আগে সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রেলগেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো নেতাকর্মী খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রেলগেটস্থ খায়রুজ্জামান বাস টার্মিনালে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি বিশাল আনন্দ র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাস টার্মিনালে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়। র্যালিতে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সংগঠনের অন্তত ৫ থেকে ৭ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।










