০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেক প্রতারণায় সিরাজগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের তিন বছরের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট : ১১:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৪০০ বার দেখা হয়েছে

চেক প্রতারণায় সিরাজগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের তিন বছরের কারাদণ্ড

চেক প্রতারণার তিনটি পৃথক মামলায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চক জয় কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ মহলকে মোট তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সমপরিমাণ টাকা ফেরতের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ ও অর্থঋণ আদালতের বিচারক মিশকাত শুকরানা এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দেলোয়ার হোসেন মন্টু জানান, পৃথক তিনটি মামলায় মমতাজ মহলকে এক বছর করে মোট তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরতের আদেশ দেন আদালত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক প্রয়োজনে বিশেষ টাকার দরকার হওয়ায় মমতাজ মহল ২০২২ সালের ২৩ জুন তাড়াশ উপজেলা সদরের রাম চন্দ্র কর্মকারের ছেলে খোকন চন্দ্র কর্মকারের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা, ওই বছরের ১৮ জুলাই শ্রী কৃষ্ণপুর গ্রামের ভাষা শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং একই বছরে খিদির চন্দ্র সাহার ছেলে রতন কুমার সাহার কাছ থেকে আরও ২০ লাখ টাকা ধার নেন। তিন মাসের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি ভুক্তভোগীদের পূবালী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের দুটি চেক প্রদান করেন। চেকগুলো জমা দিলে ব্যাংক থেকে তা প্রত্যাখ্যাত হয়, কারণ সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ ছিল না। পরে ভুক্তভোগীরা আদালতে চেক প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

আদালত বুধবার রায় দিয়ে মমতাজ মহলকে পৃথক তিন মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও সমপরিমাণ অর্থ ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

চেক প্রতারণায় সিরাজগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের তিন বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ১১:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

চেক প্রতারণায় সিরাজগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের তিন বছরের কারাদণ্ড

চেক প্রতারণার তিনটি পৃথক মামলায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চক জয় কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ মহলকে মোট তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সমপরিমাণ টাকা ফেরতের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ ও অর্থঋণ আদালতের বিচারক মিশকাত শুকরানা এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দেলোয়ার হোসেন মন্টু জানান, পৃথক তিনটি মামলায় মমতাজ মহলকে এক বছর করে মোট তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরতের আদেশ দেন আদালত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক প্রয়োজনে বিশেষ টাকার দরকার হওয়ায় মমতাজ মহল ২০২২ সালের ২৩ জুন তাড়াশ উপজেলা সদরের রাম চন্দ্র কর্মকারের ছেলে খোকন চন্দ্র কর্মকারের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা, ওই বছরের ১৮ জুলাই শ্রী কৃষ্ণপুর গ্রামের ভাষা শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং একই বছরে খিদির চন্দ্র সাহার ছেলে রতন কুমার সাহার কাছ থেকে আরও ২০ লাখ টাকা ধার নেন। তিন মাসের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি ভুক্তভোগীদের পূবালী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের দুটি চেক প্রদান করেন। চেকগুলো জমা দিলে ব্যাংক থেকে তা প্রত্যাখ্যাত হয়, কারণ সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ ছিল না। পরে ভুক্তভোগীরা আদালতে চেক প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

আদালত বুধবার রায় দিয়ে মমতাজ মহলকে পৃথক তিন মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও সমপরিমাণ অর্থ ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন।