০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

ইউএনবি
  • আপডেট : ০৯:৫১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৫৭ বার দেখা হয়েছে

খাগড়াছড়িতে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা সড়ক অবরোধ এবার পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে জুম্ম ছাত্র জনতা।

শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মানবিক কারণ ও প্রশাসনের আশ্বাসকে আংশিক বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করায় যেকোনো সময় ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হতে পারে।

জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাহিদার ভিত্তিতে সহসাই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ গত মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছিল।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক মারমা স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ডাকা ওই অবরোধ ঘিরে ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারায় সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় তিনজন নিহত হন এবং সেনা কর্মকর্তাসহ বহু মানুষ আহত হন।

গুইমারার রামসু বাজার ও আশপাশে দোকানপাট ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। জেলা সদরের মহাজনপাড়া, নারিকেল বাগান ও স্বনির্ভর বাজারে বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

আপডেট : ০৯:৫১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়িতে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা সড়ক অবরোধ এবার পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে জুম্ম ছাত্র জনতা।

শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মানবিক কারণ ও প্রশাসনের আশ্বাসকে আংশিক বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করায় যেকোনো সময় ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হতে পারে।

জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাহিদার ভিত্তিতে সহসাই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ গত মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছিল।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক মারমা স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ডাকা ওই অবরোধ ঘিরে ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারায় সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় তিনজন নিহত হন এবং সেনা কর্মকর্তাসহ বহু মানুষ আহত হন।

গুইমারার রামসু বাজার ও আশপাশে দোকানপাট ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। জেলা সদরের মহাজনপাড়া, নারিকেল বাগান ও স্বনির্ভর বাজারে বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।