পাবনায় সেন্ট্রাল হাসপাতালে এক নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ৩
- আপডেট : ০৯:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
- / ৭৬৬ বার দেখা হয়েছে
পাবনার সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসার নামে এক নারী রোগীকে অজ্ঞান করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক পুরুষ কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পরবর্তীতে স্থায়ী জনতা ও এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে হাসপাতাল স্টাফদের ধস্তাধস্তি ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, ডিবি ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে এক নারী রোগীকে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দেওয়ার পর হাসপাতালের এক পুরুষ স্টাফ তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় রোগীর জ্ঞান ফিরে এলে তিনি ওই স্টাফের হাত চেপে ধরেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে রোগীর স্বজনরা বিষয়টি জানতে পারলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের ভয়ভীতি দেখায়। রোগীর স্বজনরা পুলিশকে খবর দিতে চাইলে হাসপাতালের কিছু ভাড়া করা মাস্তান (স্টাফ) উল্টো তাদের ওপর চড়াও হয়। এতে স্থানীয় জনতা ও এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালটিতে ভাংচুর শুরু করে।
খবর পেয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে, অন্যান্য রোগীর স্বজনরাও হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত খরচ ও কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহার নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শ্লীলতাহানির অভিযোগে এখন পর্যন্ত হাসপাতালের তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন মহল থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বলে জানা যায়।










