০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের পরিবর্তে খেলবে স্কটল্যান্ড, ক্রিকইনফোর তথ্য

বিবিসি বাংলা
  • আপডেট : ০৮:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৬৩ বার দেখা হয়েছে

ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো আইসিসি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ই–মেইলের মাধ্যমে বিসিবিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় বলে জানায় ওয়েবসাইটটি।

ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অবস্থান নিয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ আলোচনা চলার পর এই সিদ্ধান্ত এলো।

এর আগে বিসিবি আইসিসিকে জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ সরকার ভারত সফরের অনুমতি দেয়নি ক্রিকেটারদের।

আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

এদিকে, বৃহস্পতিবার আইসিসির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিষয়টি আইসিসির ডিসপিউট রেজুলেশন কমিটিতে নেওয়া হবে। তবে ঠিক কোন অভিযোগ নিয়ে বিসিবি এই কমিটিতে যাচ্ছে বা এ বিষয়ে আইসিসির প্রতিক্রিয়া কী, তা জানা যায়নি।

ডিআরসি আইসিসির অধীনে গঠিত একটি স্বাধীন প্যানেল, যা সদস্য বোর্ড ও আইসিসির মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

এর আগে বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আইসিসি বোর্ডের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অধিকাংশ পরিচালক মত দেন, বাংলাদেশ যদি ভারতে খেলতে রাজি না হয় এবং ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবিতে অনড় থাকে, তাহলে তাদের পরিবর্তে অন্য দল নেওয়া হবে।

বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, টুর্নামেন্ট শুরুর এত কাছাকাছি সময়ে সূচি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। বোর্ডের মতে, ভারতের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকা সত্ত্বেও সূচি বদলালে ভবিষ্যৎ আইসিসি ইভেন্টগুলোর জন্য নজির তৈরি হবে এবং সংস্থাটির নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

অনড় অবস্থানে ছিল বিসিবি ও আইসিসি

আইসিসি বলছে, বিসিবিকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছিল, যাতে বাংলাদেশ সরকার সঙ্গে আলোচনা করে বর্তমান সূচি অনুযায়ী ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গ্রুপ সিতে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায় এবং চতুর্থ ম্যাচটি মুম্বাইয়ে।

তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি আবারও জানায়, তারা ভারতে যাবে না। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার কথাও তোলে বাংলাদেশ।

এই সিদ্ধান্তের পর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম আইসিসির বিরুদ্ধে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’-এর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতে না যাওয়ার বিষয়ে বিসিসিআইয়ের অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির আচরণ ভিন্ন।

নিরাপত্তা ইস্যুটি সামনে আসে গত তেসরা জানুয়ারি, যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআই আইপিএল ২০২৬ স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়তে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দেয়। সে সময় এর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, যদিও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল।

এর পরদিন, চৌঠা জানুয়ারি, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না। পরবর্তী আলোচনাগুলোতেও এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে।

তবে আইসিসি মোস্তাফিজুর রহমানের বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য কারণ হিসেবে মানেনি।

সংস্থাটির বক্তব্য, একটি একক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে বিসিবি। আইসিসির মতে, কোনো খেলোয়াড়ের ঘরোয়া লিগে খেলার বিষয়টির সঙ্গে বিশ্বকাপের নিরাপত্তা বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে আইসিসির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়ে দেন, ভারতে টি– টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আইসিসি থেকে সুবিচার পাইনি। আমরা আশা করবো, আইসিসি আমাদের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলার আবেদন মেনে নেবে”।

অন্যদিকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে তারা গর্ববোধ করলেও আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

“বিশ্ব ক্রিকেটে জনপ্রিয়তা যখন কমছে, তখন প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা হতাশাজনক,” বলেন তিনি।

এর আগে অন্য দলের ক্ষেত্রে কী করেছে আইসিসি
এর আগে ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে খেলতে শ্রীলঙ্কায় যায়নি অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত এবং পাকিস্তানের সাথে শ্রীলঙ্কাও ঐ টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক ছিল। কিন্তু কলকাতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তার ভয়ে তারা শ্রীলঙ্কায় দল পাঠাবে না।

অন্যদিকে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি ইংল্যান্ড আর কেনিয়ায় যায়নি নিউজিল্যান্ড।

ওই সব ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ওয়াকওভার বা জয়ের পয়েন্ট দিয়েছিল আইসিসি।

সবক্ষেত্রেই অনুপস্থিত দলের প্রতিপক্ষ ম্যাচে ওয়াকওভার বা পয়েন্ট পেয়েছে।

আর ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ে সরে যাওয়ায় স্কটল্যান্ডকে সেবার টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করেছিল আইসিসি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলাদেশের পরিবর্তে খেলবে স্কটল্যান্ড, ক্রিকইনফোর তথ্য

আপডেট : ০৮:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো আইসিসি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ই–মেইলের মাধ্যমে বিসিবিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় বলে জানায় ওয়েবসাইটটি।

ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অবস্থান নিয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ আলোচনা চলার পর এই সিদ্ধান্ত এলো।

এর আগে বিসিবি আইসিসিকে জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ সরকার ভারত সফরের অনুমতি দেয়নি ক্রিকেটারদের।

আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

এদিকে, বৃহস্পতিবার আইসিসির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিষয়টি আইসিসির ডিসপিউট রেজুলেশন কমিটিতে নেওয়া হবে। তবে ঠিক কোন অভিযোগ নিয়ে বিসিবি এই কমিটিতে যাচ্ছে বা এ বিষয়ে আইসিসির প্রতিক্রিয়া কী, তা জানা যায়নি।

ডিআরসি আইসিসির অধীনে গঠিত একটি স্বাধীন প্যানেল, যা সদস্য বোর্ড ও আইসিসির মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

এর আগে বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আইসিসি বোর্ডের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অধিকাংশ পরিচালক মত দেন, বাংলাদেশ যদি ভারতে খেলতে রাজি না হয় এবং ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবিতে অনড় থাকে, তাহলে তাদের পরিবর্তে অন্য দল নেওয়া হবে।

বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, টুর্নামেন্ট শুরুর এত কাছাকাছি সময়ে সূচি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। বোর্ডের মতে, ভারতের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকা সত্ত্বেও সূচি বদলালে ভবিষ্যৎ আইসিসি ইভেন্টগুলোর জন্য নজির তৈরি হবে এবং সংস্থাটির নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

অনড় অবস্থানে ছিল বিসিবি ও আইসিসি

আইসিসি বলছে, বিসিবিকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছিল, যাতে বাংলাদেশ সরকার সঙ্গে আলোচনা করে বর্তমান সূচি অনুযায়ী ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গ্রুপ সিতে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায় এবং চতুর্থ ম্যাচটি মুম্বাইয়ে।

তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি আবারও জানায়, তারা ভারতে যাবে না। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার কথাও তোলে বাংলাদেশ।

এই সিদ্ধান্তের পর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম আইসিসির বিরুদ্ধে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’-এর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতে না যাওয়ার বিষয়ে বিসিসিআইয়ের অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির আচরণ ভিন্ন।

নিরাপত্তা ইস্যুটি সামনে আসে গত তেসরা জানুয়ারি, যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআই আইপিএল ২০২৬ স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়তে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দেয়। সে সময় এর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, যদিও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল।

এর পরদিন, চৌঠা জানুয়ারি, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না। পরবর্তী আলোচনাগুলোতেও এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে।

তবে আইসিসি মোস্তাফিজুর রহমানের বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য কারণ হিসেবে মানেনি।

সংস্থাটির বক্তব্য, একটি একক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে বিসিবি। আইসিসির মতে, কোনো খেলোয়াড়ের ঘরোয়া লিগে খেলার বিষয়টির সঙ্গে বিশ্বকাপের নিরাপত্তা বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে আইসিসির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়ে দেন, ভারতে টি– টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আইসিসি থেকে সুবিচার পাইনি। আমরা আশা করবো, আইসিসি আমাদের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলার আবেদন মেনে নেবে”।

অন্যদিকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে তারা গর্ববোধ করলেও আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

“বিশ্ব ক্রিকেটে জনপ্রিয়তা যখন কমছে, তখন প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা হতাশাজনক,” বলেন তিনি।

এর আগে অন্য দলের ক্ষেত্রে কী করেছে আইসিসি
এর আগে ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে খেলতে শ্রীলঙ্কায় যায়নি অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত এবং পাকিস্তানের সাথে শ্রীলঙ্কাও ঐ টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক ছিল। কিন্তু কলকাতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তার ভয়ে তারা শ্রীলঙ্কায় দল পাঠাবে না।

অন্যদিকে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি ইংল্যান্ড আর কেনিয়ায় যায়নি নিউজিল্যান্ড।

ওই সব ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ওয়াকওভার বা জয়ের পয়েন্ট দিয়েছিল আইসিসি।

সবক্ষেত্রেই অনুপস্থিত দলের প্রতিপক্ষ ম্যাচে ওয়াকওভার বা পয়েন্ট পেয়েছে।

আর ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ে সরে যাওয়ায় স্কটল্যান্ডকে সেবার টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করেছিল আইসিসি।