১০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটঘরিয়ার রাসেল, চা বিক্রি করে এখন স্বাবলম্বী

আটঘরিয়া সংবাদদাতা
  • আপডেট : ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৯৭২ বার দেখা হয়েছে

চা বিক্রি করে স্বাবলম্বী পাবনা জেলার আটঘরিয়ার রাসেল। চায়ের স্বাদ ও মান ভিন্নতা থাকায় রাসেলের চায়ের গ্রাহক বেড়েই চলেছে।

আটঘরিয়া উপজেলার একান্ত বাজারে রাসেলের চায়ের দোকান। আগে তার বাবা চা বিক্রি করতেন। বাবার ব্যবসার হাল এখন রাসেল নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।

চা বানানোর কলাকৌশল ও স্বাদের ভিন্নতার কারণে রাসেলের চায়ের দোকানে চা-প্রেমীদের অভাব নেই। সব সময় চায়ের দোকানে ভিড় লেগেই থাকে। প্রতিদিন‌ই পাবনা জেলার দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন চা-প্রেমীরা।

প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ কাপ বিক্রি করে সারা ফেলেছেন তরুণ এই চা বিক্রেতা। এলাকার মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা চা-প্রেমীদের জানান, চা বিক্রেতা রাসেল এখন অনেক স্বাবলম্বী। তার বানানো চায়ের স্বাদ আলাদা হ‌ওয়ায় চা বিক্রির পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

চা বিক্রেতা রাসেল অন্যদেশ প্রতিনিধিকে জানান, তিনি মালাই চা বিক্রি করেন ৪০ টাকা কাপ, দুধ চা ৩০ টাকা। রাসেল চা বিক্রির পাশাপাশি নিজের হাতে বানানো কুলফি আইসক্রিম বিক্রি করেন। প্রতিটি আইসক্রিমের দাম ৫০ টাকা, স্বাদেও অতুলনীয়।

প্রতিদিনই রাসেলের চায়ের দোকানে চা-প্রেমীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে। তাই রাসেল এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেক স্বাবলম্বী এ কথা বলাই যায়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

আটঘরিয়ার রাসেল, চা বিক্রি করে এখন স্বাবলম্বী

আপডেট : ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চা বিক্রি করে স্বাবলম্বী পাবনা জেলার আটঘরিয়ার রাসেল। চায়ের স্বাদ ও মান ভিন্নতা থাকায় রাসেলের চায়ের গ্রাহক বেড়েই চলেছে।

আটঘরিয়া উপজেলার একান্ত বাজারে রাসেলের চায়ের দোকান। আগে তার বাবা চা বিক্রি করতেন। বাবার ব্যবসার হাল এখন রাসেল নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।

চা বানানোর কলাকৌশল ও স্বাদের ভিন্নতার কারণে রাসেলের চায়ের দোকানে চা-প্রেমীদের অভাব নেই। সব সময় চায়ের দোকানে ভিড় লেগেই থাকে। প্রতিদিন‌ই পাবনা জেলার দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন চা-প্রেমীরা।

প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ কাপ বিক্রি করে সারা ফেলেছেন তরুণ এই চা বিক্রেতা। এলাকার মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা চা-প্রেমীদের জানান, চা বিক্রেতা রাসেল এখন অনেক স্বাবলম্বী। তার বানানো চায়ের স্বাদ আলাদা হ‌ওয়ায় চা বিক্রির পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

চা বিক্রেতা রাসেল অন্যদেশ প্রতিনিধিকে জানান, তিনি মালাই চা বিক্রি করেন ৪০ টাকা কাপ, দুধ চা ৩০ টাকা। রাসেল চা বিক্রির পাশাপাশি নিজের হাতে বানানো কুলফি আইসক্রিম বিক্রি করেন। প্রতিটি আইসক্রিমের দাম ৫০ টাকা, স্বাদেও অতুলনীয়।

প্রতিদিনই রাসেলের চায়ের দোকানে চা-প্রেমীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে। তাই রাসেল এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেক স্বাবলম্বী এ কথা বলাই যায়।