০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যথাসময়ে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফুয়েল লোডিং হচ্ছে না

অন্যদেশ ডেস্ক
  • আপডেট : ০৭:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৭৮ বার দেখা হয়েছে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিএইআরএ) কমিশনিং লাইসেন্স না পাওয়ায় তা পিছিয়ে যাচ্ছে যা যথাসময়ে হচ্ছে না।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় নথি এখনো পর্যালোচনায় রয়েছে। লাইসেন্স অনুমোদনের পরই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।

এর আগে জুলাইয়ের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। তবে জ্বালানি লোডিংয়ে বিলম্ব হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়সূচিও পিছিয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিংয়ে প্রায় এক মাস সময় লাগে এবং এর দুই মাস পর চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা সম্ভব হয়। পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১১ মাস।

তবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন, চলতি মাসের শেষ নাগাদ জ্বালানি লোডিং শুরু করা সম্ভব হবে। তাদের দাবি, ১ নম্বর ইউনিটের নির্মাণকাজ, পরীক্ষা ও পরিদর্শন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

যথাসময়ে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফুয়েল লোডিং হচ্ছে না

আপডেট : ০৭:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিএইআরএ) কমিশনিং লাইসেন্স না পাওয়ায় তা পিছিয়ে যাচ্ছে যা যথাসময়ে হচ্ছে না।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় নথি এখনো পর্যালোচনায় রয়েছে। লাইসেন্স অনুমোদনের পরই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।

এর আগে জুলাইয়ের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। তবে জ্বালানি লোডিংয়ে বিলম্ব হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়সূচিও পিছিয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিংয়ে প্রায় এক মাস সময় লাগে এবং এর দুই মাস পর চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা সম্ভব হয়। পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১১ মাস।

তবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন, চলতি মাসের শেষ নাগাদ জ্বালানি লোডিং শুরু করা সম্ভব হবে। তাদের দাবি, ১ নম্বর ইউনিটের নির্মাণকাজ, পরীক্ষা ও পরিদর্শন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।